জানুয়ারী 11, 2020

প্রথমে, গত সপ্তাহের ঘটনাবলির পর্যালোচনা :

  • ইউরো/মার্কিন ডলার। যেমন আপনি জানেন, জীবন হল জেব্রার মতো : একটা সাদা দাগের পর একটা কালো স্ট্রাইপ আসে, এবং উলটোটাও সত্যি। সেটাই ঘটেছে এবারও : ক্রিসমাস ও নিউ ইয়ারের ছুটির পর এসেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পূর্ণ-মাত্রায় যুদ্ধের উদ্বেগজনক প্রত্যাশা। কিন্তু কয়েকদিন পর এটা স্পষ্ট হয়েছে যে দুপক্ষই পূর্ণ-মাত্রায় সংঘষ এড়াতে চায়, এবং ভূগোল-রাজনৈতিক ক্ষেত্রের টেনশন ক্রমশ হ্রাস পেয়েছে, যা তেলের দামে পরিষ্কার দৃশ্যমান।
    গত সপ্তাহে, সবকিছু প্রথমে মার্কিন ডলারের জন্য ঠিক চলছিল। মার্কিন কারেন্সি বাড়ছিল, মার্কিন স্টক মার্কেট ও ফেড লিডারদের আশাবাদী মন্তব্যকে ধন্যবাদ নতুন রেকর্ড উচ্চতায় যাওয়ার জন্য। সেজন্য ফেডারেল রিজার্ভের প্রেসিডেন্ট রিচমন্ড থমাস বার্কিন বলেছেন যে দেশের অর্থনীতি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর শ্রমিক বাজারকে খুব শক্তিশালী দেখাচ্ছে। এবং ফেড ভাইস প্রেসিডেন্ট রিচার্ড ক্ল্যারিডার মতে, সংস্থার বর্তমান আর্থিক নীতি দেশের অর্থনীতির সঙ্গে পুরোপুরি মানানসই। অনুমান অনুযায়ী, 2020-এ মার্কিন জিডিপি বিকাশ হতে পারে 2-2.5 শতাংশ বা তার বেশি।  
    শুক্রবার পর্যন্ত, 10 জানুয়ারি, মার্কিন শ্রম বাজার থেকে শক্তিশালী তথ্যের অনুমানে ডলার বৃদ্ধি পাচ্ছিল। যার ফলে, বিশেষজ্ঞদের 45 শতাংশের এটাই প্রত্যাশা ছিল, যা সমর্থন করেছিল ইন্ডিকেটরদের 85 শতাংশ এবং H4-এ গ্রাফিক্যাল বিশ্লেষণ, ইউরো/মার্কিন ডলার ব্যর্থ হয়েছে 1.1100-র সাপোর্ট দিতে, এবং তারপর আরও 15 পয়েন্টে। কিন্তু কৃষি ক্ষেত্রের বাইরে (এনএফটি) নতুন কাজের সংখ্যার তথ্য বাজারকে খুব হতাশ করেছে (43 শতাংশ হ্রাস) যে জোড়াটি দ্রুত ঘুরেছে নর্থে, লাফ দিয়েছে 1.1130 উচ্চতায়। এটি ট্রেডিং সেশনের শেষে মিশেছে 1.1120 স্তরে।
  • জিবিপি/মার্কিন ডলার। টানা তৃতীয় সপ্তাহে, ব্রিটিশ পাউন্ডের ফলাফল হল শূন্যের কাছাকাছি। 1.3075 থেকে শুরু করে এটি পৌঁছয় 1.3210 উচ্চতায়, তারপর পড়ে যায় 1.3010 সাপোর্টে, ফের ঘুরে দাঁড়ায় এবং পাঁচদিনের পর্ব শেষ করে 1.3060-তে, এই সময়ে হারিয়েছে মাত্র 15 পয়েন্ট। যদিও, আগের মতো, এর মোটামুটি উচ্চ বেগের কারণে, জোড়াটি ট্রেডারদের আয় করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেনি : এর ওঠানামার সাপ্তাহিক সম্ভাবনার পরিমাণ 200 পয়েন্ট।
  • ইউএডি/জেপিওয়াই। এই জোড়ার জন্য অনুমান ছিল 100 শতাংশ নিখুঁত। সেটা স্মরণ করলে, বিশ্লেষকদের অধিকাংশেরই (70 শতাংশ) মতামতকে সমর্থন করে D1-এর গ্রাফিক্যাল বিশ্লেষণ, জোড়াটির পতন থেমেছিল 107.80 স্তরে, এরপর ঘুরে দাঁড়ায়, যার যাওয়ার কথা ছিল 109.25 রেজিস্ট্যান্সে, এবং গত ডিসেম্বরের উচ্চতা 109.70  অঞ্চলে।
    বাস্তবে, সোমবার, 6 জানুয়ারি, জোড়াটি ছিল নীচে 107.76-এ, তারপর ঘুরে দাঁড়ায় ও উপরে ওঠে। বুধবার, ইয়েন আরেকবার চেষ্টা করে 107.00  থেকে উঠতে, যদিও এটি ব্যর্থ হয়, এবং সপ্তাহান্তে, জোড়াটি, বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশা অনুযায়ী, পৌঁছয় 109.70  উচ্চতায়। একটি ছোট্ট সংশোধন দ্বারা এটি অনুসরিত হয়, এবং শেষ পর্যন্ত দাঁড়ায় 109.50 ।
  • ক্রিপ্টোকারেন্সি। প্রকৃতপক্ষে, দেখা যাচ্ছে বেশকিছু বিনিয়োগকারী বিটকয়েনকে বিবেচনা করছেন আর্থিক স্বর্গ হিসেবে। সেজন্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটের বিপরীতে, রেফারেন্স ক্রিপ্টোকারেন্সি পৌঁছেছিল দেড়-মাসের উচ্চতায়, ভেঙেছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স স্তর। কয়েনমার্কেটক্যাপে স্টেবলকয়েন টেদার (ইউএসডিটি) 500 মিলিয়ন ডলার ক্যাপিটালাইজেশনের দ্রুত বৃদ্ধি সম্পর্কে নকল তথ্যও এর বৃদ্ধিতে অবদান জুগিয়েছিল। এর ফলে, কয়েন পিছু বিটিসি-র খরচ পৌঁছেছে 8450 ডলার উচ্চতায়।
    গত সপ্তাহে যা ঘটেছে তার বিশ্লেষণ দেখায় যে ক্রিপ্টো মার্কেট কোট প্রভাবিত হতে শুরু করেছে অ্যালগরিদমিক ট্রেডিং দ্বার। মূল্যের গতিবেগে একমাত্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে, যা ছিল এই ক্ষেত্রে, রোবটরা কয়েন কিনতে শুরু করেছিল, যা এই গতিবেগকে অতিরিক্ত বল জুগিয়েছে।
    যখন এটি জানতে পারল ইরানের চারপাশে টেনশন হ্রাস পেয়েছে এবং 500 মিলিয়ন ডলার সম্পর্কিত তথ্য জাল, তখন বিটকয়েনের মূল্য কমে গেল, হ্রাস পেল 7765 ডলারে, তারপর ফের ওঠে, শুক্রবার, 10 জানুয়ারি, সন্ধ্যায় পৌঁছয় 8100 ডলার উচ্চতায়।
    এসব ঘটনার ফলাফল অনুযায়ী বিটকয়েনের বিকাশ, 3 জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছিল, ছিল সর্বাধিক 17 শতাংশ, ইথেরিয়াম (ইটিএইচ/ইউএসডি) – ওই একই 17 শতাংশ, রিপল (এক্সআরপি/ইউএসডি) – 22 শতাংশ, এবং লাইটকয়েন (এলটিসি/ইউএসডি) – 27 শতাংশ। ওই একই সময়ে, মোট ক্যাপিটালাইজেশন বৃদ্ধি হয়েছিল 10 শতাংশ এবং বিটকয়েন ক্রিপ্টো ফিয়ার এবং গ্রিড ইনডেক্স হল অন্য তিনটি পয়েন্ট যা এর নিরপেক্ষ অবস্থানের কাছাকাছি, 41-এ পৌঁছেছিল।

 

আগামী সপ্তাহের অনুমানের ক্ষেত্রে, বেশকিছু সংখ্যক বিশেষজ্ঞের মতামতের সংক্ষেপের পাশাপাশি টেকনিক্যাল ও গ্রাফিক্যাল বিশ্লেষণের বিভিন্ন পদ্ধতির ভিত্তিতে আমরা বলতে পারি :

  • ইউরো/মার্কিন ডলার। 29 নভেম্বর, 2019 থেকে শুরু করে জোড়াটি গেছে উপরের চ্যানেলে। 31 ডিসেম্বর, এটি পৌঁছেছিল ঊর্ধ্বসীমায় 1.1240-তে, এবং তারপর দিক পরিবর্তন করে, 2020 বছর শুরু করেছিল একটি পরিসর নীচ থেকে। 8 জানুয়ারি, এটি চ্যানেলের নিম্নসীমা ভেঙেছে 1.1125-এর স্তর, কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম বাজারের নেতিবাচক ডেটার কারণে, বিয়ার তাদের সাফল্য জমাট করতে পারেনি, এবং সপ্তাহের সেশন এই জোড়া শেষ করেছে প্রায় ব্রেকডাউনের স্তরে।
    এটি কি আরোহণ চ্যানেলের সীমায় ফিরে আসবে? 60 শতাংশ বিশেষজ্ঞ এরকম মনে করেন না। তাঁদের মতে, ডলার আরও শক্তিশালী হতে থাকবে এবং আশা করা হচ্ছে জোড়াটি পতিত হবে 1.1040-1.1065  অঞ্চলে, পরের লক্ষ্য হল 1.1000। H4-এ গ্রাফিক্যাল বিশ্লেষণ এবং D1-এ প্রবণতা ইন্ডিকেটরদের অধিকাংশ (70 শতাংশ) এই উন্নয়নে সম্মত হয়েছেন। H4-এর প্রবণতা ইন্ডিকেটরদের রিডিং এবং D1 ও H4-এ অসিলেটররা এই মুহূর্তে নিরপেক্ষ বিবেচনা করা যেতে পারে।বিশ্লেষকদের বাকি 40 শতাংশের অনুমান অনুযায়ী, ইউরো/মার্কিন ডলার জোড়া সক্ষম হবে না 1.1100 স্তরের সাপোর্ট ভাঙতে, এবং এটি ফিরে আসবে অন্তত আরোহণ চ্যানেলের কেন্দ্রীয় রেখায়, যা হবে 1.1240  অঞ্চলে।
    অবশ্যই, আগামী সপ্তাহের প্রবণতা হয়তো ইরানের চারপাশে উদ্বেগ দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে। কিন্তু ম্যাক্রোইকোনমিক ইন্ডিকেটর পাবলিকেশন থেকে কোনো অতিরিক্ত বিস্ময় সম্ভবত আশা করা যায় না। মঙ্গল, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার, মার্কিন কনজিউমার মার্কেটের ডেটা প্রকাশ পাবে। 16 জানুয়ারি, এইসঙ্গে আমরা জানতে পারব জার্মান এইচআইসিপি কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্সের মূল্য, যা প্রজেক্ট করা হয়েছে অপরিবর্তনশীল থাকবে বলে। ইসিবি-র মানিটরি পলিসি মিটিঙের রিপোর্ট হয়তো হবে আরও চিত্তাকর্ষক, এটি প্রকাশিত হবে বৃহস্পতিবার, 16 জানুয়ারি।
  • জিবিপি/মার্কিন ডলার। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হতে তিন সপ্তাহের কম সময় বাকি যুক্তরাজ্যের। ব্লুমবার্গের মতে, আজকের তারিখ পর্যন্ত, ব্রেক্সিট ইতিমধ্যে দেশের 170 বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে, এবং 2020-এর শেষ পর্যন্ত লন্ডন আরও 90 বিলিয়ন ডলার হারাবে। বার্ষিক আর্থিক বিকাশ হয়েছে অর্ধেক, 2 শতাংশ থেকে 1 শতাংশ। ব্রিটিশ অর্থনীতি যতটা হতে পারত এখন তার 3 শতাংশ ছোট যদি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্কে একই স্তরে থাকে। যুক্তরাজ্য অর্থনীতি পিছিয়ে পড়েছে জি৭ দেশগুলির থেকে এবং, কয়েকজন অর্থনীতিবিদের মতে, এটি পুনরুদ্ধার করতে অনেক সময় লাগবে।
    নিকট ভবিষ্যতে, খুব সম্ভবত পাউন্ড বৃদ্ধি পাবে বেশ চওড়া চ্যানেলে 1.2900-1.3200 সহ একটি পিভট পয়েন্ট 1.3000-1.3050  অঞ্চলে। একই সময়ে, বিশ্লেষকদের 60 শতাংশের মতানুযায়ী, যা H4 ও D1-এর 85 শতাংশ ইন্ডিকেটর সমর্থন করেছেন, আগামী সপ্তাহে জোড়াটি এর নিম্ন সীমায় ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকবে। সাপোর্ট হল 1.3010, 1.2970  ও 1.2900।
    বিশেষজ্ঞদের বাকি 40 শতাংশ, D1-এর গ্রাফিক্যাল বিশ্লেষণের সঙ্গে সম্মত হয়ে, বিশ্বাস করেন যে এই জোড়া, বিপরীতভাবে, ভেঙে আসবে কেন্দ্রীয় অঞ্চল থেকে এবং সম্ভবত 31 ডিসেম্বর, 2019-এর উচ্চতায় পৌঁছবে 1.3285-এ। গ্রাফিক্যাল বিশ্লেষণের ইঙ্গিত অনুযায়ী, এটি সময় নিতে পারে চার বা পাঁচ দিন, যার পর এটি ফিরে যাবে পিভট পয়েন্টে।
  • ইউএসডি/জেপিওয়াই। গত সপ্তাহে, জোড়াটি শুধু মাঝারি-মেয়াদ সাইড চ্যানেল 108.40-109.70  সীমায় ফিরে আসেনি, বরং এটি পৌঁছেছিল এর ঊর্ধ্ব সীমায়। যদিও অসিলেটরের 75 শতাংশ এবং প্রবণতা ইন্ডিকেটরের 85 শতাংশ সবুজ রং ছিল, মাত্র 25 শতাংশ বিশেষজ্ঞের বিশ্বাস যে জোড়াটি সক্ষম হবে 110.70-র উচ্চতায় উঠতে। বিশ্লেষকদের অধিকাংশ (75 শতাংশ) বিয়ারের সঙ্গে রয়েছেন, পাশাপাশি H4 ও D1 অসিলেটরের 15 শতাংশ সংকেত দিয়েছেন জোড়াটি অধিক বিক্রীত। সাপোর্ট হল 109.20, 108.75  এবং 108.40 । সম্ভবত যাচ্ছে গত সপ্তাহের নিম্ন 107.65-107.75  অঞ্চলে।

  • ক্রিপ্টোকারেন্সি। আমরা এবিষয়ে ইতিমধ্যে লিখেছি, ট্রেডব্লক অনুযায়ী, 2019-এ বিটিসি কয়েনের মাত্র 30 শতাংশ ছিল গতিতে। বাকি 70 শতাংশ ছিল ওয়ালেটে ‘হিমায়িত’ অবস্থায়। একই সংখ্যা গৃহীত হয়েছিল ডেলফি ডিজিটাল দ্বারা। এই ডেটা অনুযায়ী, 2017 সালের দ্বিতীয়ার্ধে ক্রীত অন্তত 59 শতাংশ বিটকয়েন কোথাও যায়নি। যার অর্থ, এগুলির গ্রহীতা তাদের ক্রিপ্টোকারেন্সি ক্রয় করেনি এমনকি ডিসেম্বর 2017-তে, যেখানে বিটিসি ছিল ওই একই প্ল্যাটফর্মে 20000 ডলার। এরকম ডেটা দেখায় একটি থিতু স্তর যা তথাকথিত গ্রহীতারা গঠন করেছিল ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, যারা তাদের কয়েনের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেনি যখন বাজার খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছিল।
    হয়তো তারা 2040-এর জন্য অপেক্ষা করছে, বেঞ্জামিন কোয়েনের গণনা অনুসারে, বিটকয়েনের মূল্য পৌঁছতে পারে 1 মিলিয়ন ডলারে। কোয়েনের মতে, প্রধান ক্রিপ্টোকারেন্সি মূল্যের ইতিহাস দেখায় যে বাজার চক্র আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে : এটি প্রথম তুঙ্গে যেতে সময় নিয়েছে 2.5 বছর এবং দ্বিতীয় শীর্ষে যেতে সময় নেবে 4 বছর। বিটকয়েনের মূল্যের লগারিদমিক মডেলের বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে এটি পরের শীর্ষে যেতে (ডিসেম্বর 2017-র শীর্ষের পরে) যেতে সময় নেবে মোটামুটি 5.5 বছর, এবং 2023-এ বিটকয়েনের মূল্য পৌঁছতে পারে 100000 ডলারে। এবং 1 মিলিয়ন ডলারের বিটকয়েন 2040-এর আগে আসবে না।
    একই সময়ে, অবশ্যই, আরেকটি মতামত আছে, যা অনুযায়ী, রেগুলেটরদের থেকে চাপের ফলে, বিটকয়েন পড়ে যাবে, এবং এর পরিবর্তে স্থান নেবে রাষ্ট্র এবং স্থানীয় ডিজিটাল মানি। ইসিবি এর নীতের ক্রিপ্টোকারেন্সির উন্নয়ন সম্পর্কে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে, ব্রিকস দেশগুলিতে একটি সিঙ্গল ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং আন্তর্জাতিক সমঝোতার ব্যাংক ইতিমধ্যে এর প্রথম সম্মেলন জি20 সেন্ট্রাল ব্যাংকার্স করেছে, যেখানে বিশ্বায়িত ক্রিপ্টোকারেন্সির ধারণা আলোচিত হয়েছে।
    কিন্তু এসবই সুদূর ভবিষ্যতের বিষয়। এর মধ্যে, গত সপ্তাহের উচ্চ ও নিম্ন আমাদের এটা বলতে অনুমোদন করে যে বিটিসি/মার্কিন ডলার জোড়া গেছে নতুন স্তর 7765-8450  ডলারে পিভট পয়েন্ট সহ 8000-8100 অঞ্চলে। পাশাপাশি একই সময়ে, মাত্র 30 শতাংশ বিশ্লেষকের বিশ্বাস যে এটি এই করিডোরে থাকতে সক্ষম, আর 70 শতাংশের প্রত্যাশা এটি পতিত হবে 7000-7500 ডলার অঞ্চলে।

 

রোমান বুটকো, নর্ডএফএক্স

 

বিজ্ঞপ্তি : এসব তথ্য আর্থিক বাজারে কাজের জন্য বিনিয়োগ বা পরামর্শ হিসেবে কোনো সুপারিশ নয় : এগুলি একমাত্র তথ্যমূলক উদ্দেশ্যে। আর্থিক বাজারে ট্রেডিং খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এবং এর ফলে ডিপোজিটকৃত ফান্ডের পরিপূর্ণ ক্ষতি হতে পারে।


« বাজার বিশ্লেষণ ও সংবাদ
প্রশিক্ষণ
গ্রহণ করুন
মার্কেটে নতুন? ব্যবহার করুন “শুরু করা যাক” বিভাগটি।
প্রশিক্ষণ শুরু করুন
আমাদের অনুসরণ করুন (সামাজিক নেটওয়ার্কগুলিতে)